অবস্থান ও আয়তন: বাহুবল উপজেলার উত্তরে নবীগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণে চুনারুঘাট উপজেলা , পূর্বে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলা এবং পশ্চিমে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা।
ইতিহাস: প্রশাসন বাহুবল থানা গঠিত হয় ১৯২১ সালে। বর্তমানে এটি উপজেলা। নামকরণ জনশ্রুতি এবং প্রাচীন লোকদের নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্য ও বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত পত্র-পত্রিকা হতে জানা যায় প্রাচীনকালে কুদরত মাল নামক জনৈক পালোয়ান বাহুবল এলাকায় বাস করতেন।
মৌলভীবাজার জেলার দক্ষিণ বাগ থেকে পলোয়ান এসে ছিলেন কুদরত মালের সংগে মল্ল যুদ্ধ করতে। দুই পালোয়ানের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ মলল যুদ্ধের পর কুদরত মাল বিজয়ী হয়ে বীর দর্পে বলেছিলেন ‘‘বাহুকা বল দেখ বেটা’’ এ ঘটনাটি একটি প্রবাদ প্রবচনে প্রকাশ করা হয়েছে। ‘‘দক্ষিণ বাগ থেকে আইলো মাল মিরমিরাইয়া চায়, কুদরত মালের ঘুষি খাইয়া গড়াগড়ি বায়’’। কিংবদন্তীর মল্ল যুদ্ধে ‘‘দেখ বাহুকাবল’’ থেকে বাহুবল নাম হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন।
আবার শত বর্ষের প্রাচীন লোকদের মুখ থেকে শুনা যায় এক কালে অত্র এলাকার লোকজন ছিল খুবই শক্তিশালী ও বীরযোদ্ধা। তখনকার কেউ কোনরূপ ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করত না বা ধারালো অস্ত্রের ব্যবহার ছিল না। মারামারিতে ৩/৪ হাত লম্বা বড় একটি বাঁশের টুকরাই লাঠি হিসাবে ব্যবহার করা হতো। সে বাঁশের লাঠি যার হাত থেকে পরে যেত বা ভেঙে যেত সে হত পরাজিত। তার উপর আর কেউ আঘাত করত না।
এছাড়া পাহাড়ের হিংস্র বাঘের সঙ্গে অনেক সময় মানুষের হাতাহাতি যুদ্ধ হত। বাঘের হাত থেকে হরিণ ছিনিয়ে আনতেও লোকজন মোটেও ভয় পেত না। তাই এলাকার নির্ভীক মানুষের সাহসিকতা ও বীরত্বের পরিচয় হিসাবে ‘‘বাহুবল’’ নামের উদ্ভব হয়েছে বলেও ধারণা করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে বাহুবল ভাদেশ্বর ইউনিয়নের ঢাকা সিলেট রোডের পাশে প্রায় ৪০ ফুট পাহাড়ের উপরে ফয়েজাবাদ হিল মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সৌধ অবস্থিত। ভৌগোলিক উপাত্ত: ভূপ্রকৃতি মৃত্তিকা নদ-নদী জলাশয় কোরাংগী, খোয়াই ও বরাক নদী উল্লেখযোগ্য।
সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য: ভাষা উৎসব খেলাধুলা ফুটবল, ক্রিকেট,ব্যাডমিন্টন,হা-ডু-ডু,গাপলা, লুডু,কেরাম। প্রশাসনিক এলাকা এই উপজেলার ইউনিয়ন সমূহ:- 1. স্নানঘাট ইউনিয়ন 2. পুটিজুরী ইউনিয়ন 3. সাতকাপন ইউনিয়ন 4. বাহুবল সদর ইউনিয়ন 5. লামাতাশী ইউনিয়ন 6. মিরপুর ইউনিয়ন এবং 7. ভাদেস্বর ইউনিয়ন জনসংখ্যা: ২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী ১,৯৭,৯৯৭ জন; এর মধ্যে পুরুষ ৯৮,১০১ জন এবং মহিলা ৯৯,৮৯৬ জন। এ উপজেলায় খাসিয়া, টিপরা, মণিপুরি প্রভৃতি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। শিক্ষা: প্রতিষ্ঠান সংখ্যা কলেজ ২টি (উচ্চমাধ্যমিক), ১টি (ডিগ্রি) উচ্চবিদ্যালয় ১০টি মাদ্রাসা ৪টি (দাখিল)। দর্শনীয় স্থান: আলিয়া খাসিয়াপুঞ্জী - মিরপুর বাজার থেকে সড়ক পথে পূর্বদিকে ঢাকা সিলেটের পুরাতন মহাসড়কের মিরপুর- শ্রীমঙ্গলের মাঝামাঝি 'মুছাই' নামক স্থান থেকে ১ কি: মি: ভিতরে প্রবেশ করলেই আলিয়া খাসিয়াপুঞ্জী স্থানটি পাওয়া যাবে।
চা বাগান - মিরপুর বাজার থেকে সড়ক পথে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় যাওয়ার পথে দু পাশে চোথে পড়বে অনেকগুলো চা বাগান। রুপাইছড়া রাবার বাগান - বাহুবল বাজার থেকে সড়কপথে ঢাকা সিলেট মহাসড়ক দিয়ে সিলেট যাওয়ার পথে পুটিজুরী স্থানটিতে দেখতে পাওয়া যায়। রশিদপুর গ্যাস ফিল্ড - মিরপুর বাজার থেকে সড়ক পথে পূর্বদিকে ঢাকা সিলেটের পুরাতন মহাসড়কের মিরপুর হতে শ্রীমঙ্গলের দিকে অগ্রসর হলেই রশিদপুর গ্যাস ফিল্ডটি দেখা যাবে। দি প্যালেস রিসোর্ট - বাহুবল উপজেলা থেকে সিএনজি অথবা বাসযোগে ঢাকা - সিলেট মহাসড়কে পুটিজুরী নামক স্থানে নামতে হয়; সেখান সিএনজি যোগে ০৪ কি.মি অতিক্রম করলেই রিসোর্টটিতে পৌছা যায়। যোগাযোগব্যবস্থা : স্থলপথ: সড়ক পথে ঢাকা হতে বাহুবলের দূরত্ব ১৮৫ কিলোমিটার ও বিভাগীয় শহর সিলেট হতে দূরত্ব ৭৫ কিলোমিটার এবং জেলা শহর হবিগঞ্জ হতে বাহুবলের দূরত্ব ২৫ কিলোমিটার।
রেলপথে ঢাকা হতে শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশনের দূরত্ব ২০০ কিলোমিটার; এখানে রেল যোগাযোগ নেই বিধায়, প্রথমে শায়েস্তাগঞ্জ এসে তারপর বাহুবল আসতে হয়। সড়কপথ: ঢাকার সায়েদাবাদ বাস স্টেশন থেকে সিলেট বিভাগের যেকোন স্থানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা দুরপাল্লার বাসে শায়েস্তাগঞ্জ বা মিরপুর এসে বাস বা সিএসজি অটোরিক্সায় বাহুবল আসতে হবে। ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা পরিবহণে শায়েস্তাগঞ্জ আসার ক্ষেত্রে ভাড়া হলো - এসি বাসে - ১২০০ টাকা এবং নন-এসি বাসে - ৩৭০ টাকা। ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা পরিবহণে মিরপুর আসার ক্ষেত্রে ভাড়া হলো - এসি বাসে - ১২০০ টাকা এবং নন-এসি বাসে - ৪০০ টাকা। ঢাকার সায়েদাবাদ বাস স্টেশন থেকে হবিগঞ্জে আসার সরাসরি দুরপাল্লার বাস সার্ভিস আছে; এগুলোতে সময় লাগে ৪ হতে ৫ ঘন্টা। ঢাকা থেকে সরাসরি হবিগঞ্জ আসার জন্য পরিবহণ কোম্পানিগুলো হচ্ছে - অগ্রদুত পরিবহণ (এসি ও নন-এসি), দিগন্ত পরিবহণ (এসি ও নন-এসি) এবং বিছমিল্লাহ পরিবহন (নন-এসি)। ঢাকা-হবিগঞ্জ রুটে সরাসরি চলাচলকারী পরিবহণে আসার ক্ষেত্রে ভাড়া হলোঃ এসি বাসে - ২৫০ টাকা এবং নন-এসি বাসে - ২০০ টাকা। সরাসরি চলাচলকারী পরিবহণ হবিগঞ্জ হতে ছাড়ার সময় হলোঃ অগ্রদুত পরিবহণ - ভোর ০৪টা ৪৫ মিনিট, ভোর ০৫টা ১৫ মিনিট, সকাল ০৬টা, সকাল ০৭টা (এসি), সকাল ০৮টা, সকাল ১০টা ৩০ মিনিট, দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট, দুপুর ২টা এবং বিকাল ০৪টা (এসি)। দিগন্ত পরিবহণ - ভোর ০৫টা ৩০ মিনিট, সকাল ০৬টা ৩০ মিনিট, সকাল ০৮টা ১৫ মিনিট, সকাল ০৮টা (এসি), সকাল ১১টা ৩০ মিনিট (এসি) এবং বিকাল ০৩টা। বিছমিল্লাহ পরিবহণ - ভোর ০৫টা ৪৫ মিনিট, সকাল ০৬টা ১৫ মিনিট, সকাল ৭টা ৩০ মিনিট, সকাল ০৮টা ৩০ মিনিট, দুপুর ১২টা, দুপুর ০২টা ৩০ মিনিট এবং বিকাল ০৪টা ৩০ মিনিট। সরাসরি চলাচলকারী পরিবহণ ঢাকা হতে ছাড়ার সময় হলোঃ অগ্রদুত পরিবহণ - সকাল ০৭টা ১০ মিনিট, সকাল ০৮টা ৩০ মিনিট (এসি), সকাল ০৯টা ৫০ মিনিট, সকাল ১১টা ১০ মিনিট, দুপুর ০১টা ১০ মিনিট, বিকাল ০৪টা ৩০ মিনিট (এসি) এবং সন্ধ্যা ০৬টা ৩০ মিনিট। দিগন্ত পরিবহণ - সকাল ০৯টা ১০ মিনিট, সকাল ১১টা ৫০ মিনিট, দুপুর ০১টা ৫০ মিনিট, বিকাল ০৩টা ১০ মিনিট (এসি), বিকাল ০৫টা ৫০ মিনিট (এসি) এবং সন্ধ্যা ০৭টা ৪৫ মিনিট। বিছমিল্লাহ পরিবহণ - সকাল ০৬টা ৩০ মিনিট, সকাল ৭টা ৫০ মিনিট, সকাল ১০টা ৩০ মিনিট, দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট, দুপুর ০২টা ৩০ মিনিট, বিকাল ০৫টা ১০ মিনিট এবং সন্ধ্যা ০৭টা ১০ মিনিট। ঢাকার সায়েদাবাদ বাস স্টেশন এবং মহাখালী বাস স্টেশন থেকে বাহুবলের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা দুরপাল্লার বাস রয়েছে। সরাসরি রুটে চলাচলকারী পরিবহণে আসার ক্ষেত্রে ভাড়া হলো - নন-এসি বাসে - ৩০০ টাকা। ১০০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত বিভাগীয় শহর সিলেট হতে 'হবিগঞ্জ বিরতিহীন এক্সপ্রেস' বাসে ২ থেকে ২:৩০ ঘন্টায় মিরপুর হয়ে বাহুবল আসা যায়। এপথে ভাড়া নেয়া হয় ১৫০ টাকা। জেলা শহর হবিগঞ্জ হতে বাহুবলে আসার জন্য সাধারণত সরাসরি বাস ও ম্যাক্সি সার্ভিস রয়েছে। এক্ষেত্রে ভাড়া হলো - বাসে - ২৬ টাকা এবং ম্যাক্সিতে - ২৪ টাকা। রেলপথ: বাহুবল আসার জন্য সরাসরি রেল যোগাযোগ নেই; এখানে আসতে হয় নয়াপাড়া বা শায়েস্তাগঞ্জ হয়ে। তবে, সবচেয়ে নিকটবর্তী ও আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির স্থান হলো শায়েস্তাগঞ্জ রেল স্টেশন। কমলাপুর রেল স্টেশন বা চট্টগ্রাম রেল স্টেশন থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা ট্রেনে সরাসরি শায়েস্তাগঞ্জ এসে সেখান থেকে সড়ক পথে বাহুবল আসা যায়; কারণ শায়েস্তাগঞ্জ হচ্ছে রেলপথে সিলেট বিভাগে প্রবেশের অন্যতম প্রধান স্টেশন এবং এই শহরটির উপর দিয়েই মূল ঢাকা-সিলেট ও চট্টগ্রাম-সিলেট রেলপথটি বিস্তৃত। কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে প্রতিদিন একাধিক ট্রেন সিলেটের উদ্দেশ্যে ছাড়ে। ঢাকা – সিলেট এবং চট্টগ্রাম – সিলেট রুটে চলাচলকারী ট্রেনগুলো হলোঃ ৭১০ পারাবত এক্সপ্রেস - সিলেট হতে দুপুর ০৩ টায় ছাড়ে এবং ঢাকায় রাত ০৯ টা ৪৫ মিনিটে পৌছে (মঙ্গলবার বন্ধ) ও ঢাকা থেকে ভোর ০৬ টা ৩৫ মিনিটে ছাড়ে এবং সিলেট পৌছে দুপুর ০১ টা ৪৫ মিনিটে (মঙ্গলবার বন্ধ); ৭১৮ জয়ন্তীকা এক্সপ্রেস - সিলেট হতে সকাল ০৮ টা ৪০ মিনেটে ছাড়ে এবং ঢাকায় বিকাল ০৪ টায় পৌছে (বৃহস্পতিবার বন্ধ) ও ঢাকা থেকে দুপুর ১২ টায় ছাড়ে এবং সিলেট পৌছে সন্ধ্যা ০৭ টা ৫০ মিনিটে (কোন বন্ধ নেই); ৭২০ পাহাড়ীকা এক্সপ্রেস (শনিবার বন্ধ) সিলেট হতে সকাল ১০ টা ১৫ মিনিটে ছাড়ে এবং চট্টগ্রামে রাত ০৭ টা ৪৫ মিনিটে পৌছে; ৭২৪ উদয়ন এক্সপ্রেস (রবিবার বন্ধ) সিলেট হতে রাত ০৭ টা ২০ মিনিটে ছাড়ে এবং চট্টগ্রামে ভোর ০৫ টা ৫০ মিনিটে পৌছে; ৭৪০ উপবন এক্সপ্রেস - সিলেট হতে রাত ১০ টায় ছাড়ে এবং ঢাকায় ভোর ০৫ টা ১০ মিনিটে পৌছে (কোন বন্ধ নেই) ও ঢাকা থেকে রাত ০৯ টা ৫০ মিনিটে ছাড়ে এবং সিলেট পৌছে ভোর ৫ টা ১০ মিনিটে (বুধবার বন্ধ); ৭৭৪ কালনী এক্সপ্রেস - সিলেট হতে সকাল ০৭ টায় ছাড়ে এবং ঢাকায় দুপুর ০১ টা ২৫ মিনিটে পৌছে (শুক্রবার বন্ধ) ও ঢাকা থেকে বিকাল ০৪ টায় ছাড়ে এবং সিলেট পৌছে রাত ১০ টা ৪৫ মিনিটে (শুক্রবার বন্ধ)। ঢাকা-সিলেট রুটে চলাচলকারী ট্রেনে শায়েস্তাগঞ্জ আসার ক্ষেত্রে ভাড়া হলোঃ ২য় শ্রেণির সাধারণ - ৫৫ টাকা; ২য় শ্রেণির মেইল - ৭৫ টাকা; কমিউটার - ৯০ টাকা; সুলভ - ১১০ টাকা; শোভন - ১৮০ টাকা; শোভন চেয়ার - ২১৫ টাকা; ১ম শ্রেণির চেয়ার - ২৮৫ টাকা; ১ম শ্রেণির বাথ - ৪২৫ টাকা; এসি সীট - ৪৮৯ টাকা এবং এসি বাথ - ৭৩১ টাকা। ট্রেন সম্পর্কিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেনঃ কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন, ০২-৯৩৫৮৬৩৪,৮৩১৫৮৫৭, ৯৩৩১৮২২, মোবাইল নম্বর: ০১৭১১৬৯১৬১২ বিমানবন্দর রেলওয়ে ষ্টেশন, ০২-৮৯২৪২৩৯ ওয়েবসাইট: www.railway.gov.bd আকাশপথ: এখানে সরাসরি বিমানে চলাচলের কোনো ব্যবস্থা এখনো তৈরি হয় নি; তবে ঢাকা হতে সিলেটে আকাশ পথে বিমানে এসে সেখান থেকে সড়কপথে সরাসরি কিংবা রেলপথে শায়েস্তাগঞ্জ এসে সেখান থেকে বাহুবল আসা যায়। ঢাকা থেকে সিলেটে আসার জন্য বাংলাদেশ বিমান, জেট এয়ার, নোভো এয়ার, রিজেন্ট এয়ার, ইউনাইটেড এয়আর - প্রভৃতি বিমান সংস্থার বিমান পরিষেবা রয়েছে। ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের একটি করে ফ্লাইট সপ্তাহে ৪ দিন ঢাকা- সিলেট ও সিলেট-ঢাকা রুটে চলাচল করে; ভাড়া লাগবে একপথে ৩,০০০/- এবং রিটার্ণ টিকিট ৬,০০০/-। সময়সূচী হলোঃ ঢাকা হতে সিলেট - শনি, রবি, মঙ্গল, বৃহস্পতি - সকাল ১১ টা ২০ মিনিট এবং দুপুর ১২ টায়। সিলেট হতে ঢাকা - শনি, রবি, মঙ্গল, বৃহস্পতি - দুপুর ১২ টা ২০ মিনিট এবং দুপুর ০১ টায়। এই সম্পর্কিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেনঃ কর্পোরেট অফিসঃ উত্তরা টাওয়ার (৬ষ্ঠ তলা), ১ জসিম উদ্দিন এভিনিউ, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০, ০২-৮৯৩২৩৩৮, ৮৯৩১৭১২, ইমেইল: info@uabdl.com, ফ্যাক্স: ৮৯৫৫৯৫৯ ঢাকা এয়ারপোর্ট সেলস অফিসঃ ডমেস্টিক উইং কুর্মিটোলা, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা-১২৩০, ০২৮৯৫৭৬৪০, ৮৯৬৩১৯১, মোবাইল: ০১৭১৩-৪৮৬৬৬০ ওয়েবসাইট: www.uabdl.com জলপথ: অপ্রচলিত মাধ্যম হিসাবে নৌপথ ব্যবহৃত হয়ে থাকে; তবে সরাসরি কোনো নৌযান চলাচল করে না। কৃতী ব্যক্তিত্ব আমাতুন কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী - রাজনীতিবিদ। মরহুম শাহ এ এম এস কিবরিয়া - সাবেক অর্থমন্ত্রী, সাবেক পররাষ্ট্র সচিব এবং এসকাপের সাবেক নির্বাহী সচিব। কমান্ড্যান্ট মানিক চৌধুরী- রাজনীতিবিদ। মরহুম দেওয়ান ফরিদ গাজী - সংসদ সদস্য এবং সাবেক সভাপতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় শেখ সুজাত মিয়া - রাজনীতিবিদ। অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য - শিক্ষাবিদ ও শহীদ বুদ্ধিজীবী। মাহবুবুর রব সাদী - স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর প্রতীক। আব্দুর রউফ চৌধুরী - কথাসাহিত্যিক, লেখক। মোহাম্মদ আব্দুল মুনিম চৌধুরী - রাজনীতিবিদ। গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ - রাজনীতিবিদ। তথ্যসূত্র 1. ↑ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।।